কোরবানির কতদিন আগে চুল নখ কাটতে হয় কিংবা কোরবানির আগে নখ চুল না কেটে থাকতে হবে এসকল বিষয়ে আমাদের জানা অত্যন্ত জরুরী। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব আয়োজন ঈদুল আজহা। ঈদকে সামনে রেখে মুসলমানদের বিভিন্ন বিষয়ে ঘুরপাক খায়, তা হলো কোরবানির কতদিন আগে চুল-নখ কাটতে হয়। ইসলামিক শরিয়াহ অনুযায়ী কোরবানি দেয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে যা আমাদের জানতে হবে।
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর হাদিস অনুযায়ী, জিলহজ মাসের প্রথম দশদিনের ভিতরে কোরবানির নিয়ত করা ব্যক্তি চুল ও নখ কাটতে পারবেনা। প্রথম দশ দিনের মধ্যে চুল নখ কাটা থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।
সহীহ মুসলিম শরীফে বর্ণিত রয়েছে উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন জিলহজ মাসের দশদিন শুরু হয় এবং তোমাদের কেউ যদি কোরবানি করতে চায়, তখন সে যাতে তার চুল ও শরীরের কোনো অংশ ও নখ না কাটে। এটি সহীহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৭৭ এ উল্লেখ রয়েছে।
এই নির্দেশনাটি কোরবানি করার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য এক প্রকার প্রস্তুতি ও আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রতীক বলা যায়।
কারা এ নিয়মে পড়বেন?
বিশেষজ্ঞ আলেমরা জানান, যে ব্যক্তি কোরবানি দিচ্ছেন কিংবা যে ব্যক্তির পক্ষ থেকে কোরবানি হচ্ছে এই নিয়ম কেবলমাত্র সেই সব ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য হবে। পরিবারে অন্য কেউ যদি কোরবানি না দেয় তবে তাদের জন্য চুল নখ কাটায় কোন বাধা ধরা নেই।
কবে থেকে এই নিয়ম মানতে হবে?
কোরবানির কতদিন আগে চুল-নখ কাটতে হয় কিংবা কবে থেকে এই নিয়ম মানতে হয় তা জানা জরুরী। জিলহজ মাসের ১ তারিখ থেকে অথবা চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ঈদের ১০ দিন আগে থেকে নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়। কোরবানি দেয়ার পূর্ব পর্যন্ত এই নিয়ম চলবে। কোরবানির পর থেকে আবার চুল নখ কাটতে পারবে, কোন বাধা নেই।
শেষ কথা
আমাদের আর্টিকেলের মাধ্যমে জানালাম, কোরবানির কতদিন আগে চুল-নখ কাটতে হয় । কোরবানির আগে নখ-চুল না কেটে থাকতে হবে। কারা এই নিয়ম মানবে। কবে থেকে এই নিয়ম মানতে হবে। আশা করি আমাদের আর্টিকেল অবশ্যই ভালো লেগেছে। আমাদের আর্টিকেল ভালো লেগে থাকলে কমেন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।



